উপন্যাস ইতিহাস নয়, ইতিহাস
উপন্যাস নয়। তবু
দুটোর মধ্যে ঘনিষ্ট সম্পর্ক
রয়েছে। উপন্যাস
বাহ্যিক বিষয়াদি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে থেমে থাকে
না, গভীরে ঢুকে অন্তরের
খবরও বের করে আনে। ইতিহাস
কেবল বাহিরের দেখে। এজন্য
ভেতরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে
না। প্রয়োজন
হলে, ভেতরের বিষয়গুলি উপর
থেকে দেখার চেষ্টা করে। তাই
ইতিহাসের অন্তদর্শন ভাসা ভাসা। ইতিহাস
ছবির মতো, ছবি দেখে
যেমন মনের খবর পাওয়া
যায় না তেমনি ইতিহাস
পড়ে অন্তরের খবর পাওয়া যায়
না। এ
কাজটি ইতিহাসের চেয়ে উপন্যাসই ভালো
পারে। উপন্যাস
তথ্য-তথ্যের সঙ্গে কল্পনার
সরস মুগ্ধতা দিয়ে পরিবেশিত হয়। এখনে
হৃদয় কল্পনাকে নিয়ে খেলে, কল্পনা
খেলে হৃদয়কে নিয়ে।
ইতিহাসে এসবের বালাই নেই। তাই
ইতিহাসের চেয়ে উপন্যাস যেমন
জনপ্রিয় তেমন তাত্ত্বিক ও
মজবুত। যা
ইতিহাসে পাওয়া যায় না
তা উপন্যাস থেকে নিতে হয়।
বিষয়াদি
কল্পনা আর বাস্তবতার
মিশেলে পরাবাস্তব নামের ইতিহাসটি এক
বার ঘুরে আসুন।
তারপর পরখ করে দেখুন,ইতিহাসের চেয়েও কত নিরেট
বাস্তবতা দিয়ে উপন্যাসটি সাজানো
হয়েছে। এখানে
কারও মুখের কথা শুধু
নয়, তার সঙ্গে পারিপাশ্বিক
বিষয় দিয়ে ওই কথার
সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে পরিবেশন করা
হয়েছে। এই
উপন্যাসের সত্যতা জানার জন্য
মৃতব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বিদ্যমান
অবস্থান আর মৃতদের জীবতৎকালীন
বিষয় বীক্ষণ করে নিজের
অনুভবে বিশ্লেষণ করুন। সত্যটা
পেয়ে যাবেন নিশ্চিত। অর্হণার প্রকাশক পুথিনিলয়, বাংলা বাজার, ঢাকা। পাওয়া যাবে, অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ২০০-২০২ নম্বর স্টলে।
Comments
Post a Comment